উচ্ছেদ অভিযানে জরিমানা ১ লাখ ৯২ হাজার, ২৩ জনের কারাদণ্ড: ডিএমপি

উচ্ছেদ অভিযানে জরিমানা ১ লাখ ৯২ হাজার, ২৩ জনের কারাদণ্ড: ডিএমপি

বিশেষ প্রতিনিধি: পূর্বঘোষণা দিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার রাজধানীর ফুটপাত বা সড়কের দুপাশে অবৈধ দোকান ও পার্কিং গড়ে তুলছে অবৈধ দখলদাররা। কোথাও কোথাও ফুটপাত দখল করে খাবারের হোটেলের রান্নার সরঞ্জাম, গ্রিল মেশিন, আসবাবপত্রের দোকানের পণ্য এবং বিভিন্ন ওয়ার্কশপের যন্ত্রপাতি রাখা হয়। ফলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ অভিযান পারিচালনা করে ডিএমপি। এরই প্রেক্ষিতে রাজধানীর মগবাজার, বাংলামোটর, ফার্মগেট, ইন্দিরা রোড, গুলশান, কাকলী, বনানী, ধোলাইখালসহ একাধিক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপি। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের সমন্বিত এ উচ্ছেদ অভিযানে এক লাখ ৯২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

অবশ্য, অভিযান পূর্বঘোষণা দিয়ে পরিচালনা করায় অবৈধ দখলদাররা আগেভাগেই ফুটপাত থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ পান। ফলে অনেক অসাধু ব্যবসায়ীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আবার নির্ধারিত অভিযানের কয়েক দিন পরই ফুটপাত পুনরায় দখলে চলে যায়। এর আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পর ডিএমপি ফুটপাত ও রাস্তা হতে দোকান, শোরুম, রেস্টুরেন্ট ও ওয়ার্কশপের বর্ধিতাংশ অপসারণ প্রসঙ্গে একটি গণবিজ্ঞপ্তি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় রাস্তা থেকে অবৈধ ব্যবসাসহ সব ধরনের কার্যক্রম উচ্ছেদ করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানিয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপি দাবি করেছে, অভিযানে সড়কে যাদের অবৈধ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তারা যেন পুনরায় ফিরে আসার সাহস না পায়। তারা যদি পুনরায় ফুটপাতে অবৈধ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চায়, তাহলে অঘোষিত অভিযান পরিচালনা করে জরিমানাসহ তাদের বিতাড়িত করা হবে। আগামী পাঁচ দিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালিত হবে। আমাদের মোবাইল কোর্ট ও সামারি কোর্ট একটাই। অর্থাৎ আমরা সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালত একই সঙ্গে পরিচালনা করি। কেউ যদি অপরাধ করে পালিয়ে যায় এবং তথ্যপ্রমাণ রেখে যায়, সেই তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আমরা অপরাধীকে খুঁজে শাস্তির আওতায় আনি।
এদিকে, বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে ফুটপাত ও সড়কের অবৈধ দখল উচ্ছেদ, জরিমানা আদায়, মালামাল জব্দ এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আরিফা আখতার প্রীতি । তিনি জানান, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের সমন্বিত উচ্ছেদ অভিযানে এক লাখ ৯২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ জানায়, কোতয়ালী ট্রাফিক জোনের গোয়ালঘাট-নারিন্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আইন অমান্য করায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ জানায়, যাত্রাবাড়ী জোনের ধোলাইপাড় থেকে যাত্রাবাড়ী মোড় ও শহীদ ফারুক সরণি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাস্তার পাশে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় ৭ জন ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অন্যদের সতর্ক করা হয়।

ট্রাফিক রমনা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মগবাজার মোড় থেকে বাংলামটর সিগন্যাল পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হয়। এতে অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে ৪৯টি ভিডিও মামলা ও ১০টি তাৎক্ষণিক মামলা দেওয়া হয়। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং প্রায় তিন পিকআপ সমপরিমাণ মালামাল জব্দ করা হয়।

ট্রাফিক মিরপুর বিভাগ জানায়, পল্লবী জোনের কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া ও ভাষানটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ জন ব্যবসায়ীকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং রাস্তা দখলমুক্ত করা হয়।

ট্রাফিক মতিঝিল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল কাঁচাবাজার পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়া ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগ ইন্দিরা রোড এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়ে মালামাল অপসারণ করে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়।

ট্রাফিক গুলশান বিভাগ জানায়, ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে প্রায় ৫০টি দোকানকে সতর্ক করা হয় এবং ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে ট্রাফিক উত্তরা বিভাগ অবৈধ দখলদারদের মৌখিকভাবে সতর্ক করেছে।

এর আগে, বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজধানীর মগবাজার ক্রসিং থেকে বাংলামোটর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে অবৈধ দোকান ও পার্কিং উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপি। ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহমেদ এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। পরে ইমরান আমদে বলেন, অভিযান পূর্বঘোষণা দিয়ে পরিচালনা করায় অবৈধ দখলদাররা আগেভাগেই ফুটপাত থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ পান। ফলে অনেক অসাধু ব্যবসায়ীকে খুঁজে পাওয়া যায় না। আবার নির্ধারিত অভিযানের কয়েক দিন পরই ফুটপাত পুনরায় দখলে চলে যায়। এই পুরোনো প্রবণতা রুখতে এবং অবৈধ ব্যবসায়ীদের ধরতে এখন থেকে ঘোষিত অভিযানের পাশাপাশি সড়কে অঘোষিত উচ্ছেদ অভিযানও চলবে।

অপরিদিকে, ফুটপাতের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের সময় অনেক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, তারা এত দিন ফুটপাতে ব্যবসা করতে বিভিন্ন জনকে চাঁদা দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও তাদের কোনো ধরনের নোটিশ না দিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অনেকে দোকান ট্রাকে করে পুলিশ নিয়ে গেছেন। এতে তারা ব্যবসার শেষ সম্বলটুকুও হারিয়ে ফেলেছেন।
রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার ইন্দিরা রোডে অভিযানকালে তেজগাঁও বিভাগের ডিসি রফিকুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর ফুটপাত অবৈধভাবেই দখলকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। প্রাথমিক অভিযানে তাদেরকে সতর্ক ও দোকানের সামনের অতিরিক্ত অংশ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। দোকানের সামনে যদি অতিরিক্ত দোকান তৈরি করে মানুষের চলাচলে ভোগান্তি ও যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে নামবো। যারা অবৈধভাবে যান চলাচলের রাস্তায় দোকান বসায় অথবা দোকান আছে তার সামনে যদি অতিরিক্ত দোকান তৈরি করে মানুষের চলাচলে ভোগান্তি ও যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে নামবো।

রাজধানীর ফার্মগেট ও ইন্দিরা রোড এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল ফয়সাল। এ অভিযানে অবৈধভাবে ফুটপাতে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের কয়েকটি দোকান উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন অভিযান শেষে তিনি বলেন, জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ব্যবসায়ীদের সরতে অনুরোধ করা হয়েছে, কিন্তু আবারও ফুটপাত দখল করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানকার ফুটপাতে যাদের দোকান রয়েছে, সেসবের সাথে ব্যবসায়ীদের আয়-রোজগার জড়িত। আমরা আজকের অভিযানে তাদের বুঝিয়েছি, আপনারা এখান থেকে চলে যান। আগামীতে এই অভিযান চলমান থাকবে এবং প্রতিনিয়তই কেউ না কেউ তদারকিতে থাকবে।

রাজধানীর বনানী এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উচ্ছেদ অভিযান শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই দোকানি ও ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে তাদের মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন। ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উদ্যোগে অভিযান শুরু হয়। এ অভিযান শুরুর ৫ মিনিটের মধ্যেই ফুটপাত ও সড়কের ওপর রাখা দোকানের বর্ধিত অংশ, রান্নার সরঞ্জাম, গ্রিল মেশিন, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন ওয়ার্কশপের যন্ত্রপাতি দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে এরমধ্যেই ফুটপাতে রাখা জিনিসপত্র জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা বলেন, ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা সম্পূর্ণ অবৈধ। নিয়মিত নজরদারি এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়েছে। তাই অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়েই তারা দ্রুত মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন। তবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা সম্পূর্ণ অবৈধ। এ ধরনের কার্যক্রমের কারণে শুধু পথচারীদের ভোগান্তিই নয়, সড়কের স্বাভাবিক যান চলাচলও ব্যাহত হয়। তাই আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অভিযান শেষে ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, মূল উদ্দেশ্য শাস্তি দেওয়া নয়, বরং মানুষকে সচেতন করা। ফুটপাত সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। দোকানের বাইরের অংশ ব্যবহার করে ফুটপাত দখল করলে মানুষ বাধ্য হয়ে সড়কে হাঁটে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। অভিযানে ছয়-সাতটি দোকানকে প্রায় ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে। আমরা এক সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছি। যদি আবার কেউ ফুটপাত দখল করে, তাহলে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবেÍজেল ও জরিমানার আওতায় আনা হবে।

বুধবার রাজধানীর ধোলাইখাল এলাকায় ফুটপাত উদ্ধার অভিযান পরিদর্শন শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, রাজধানীর ফুটপাত উদ্ধার অভিযান নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। অস্বীকার করি না যে, আমরা একদিকে পরিষ্কার করি তারা আবার এখানে বসে। আমরা এটা শুরু করলাম, আমরা এটা রেগুলার মনিটর করার চেষ্টা করবো। একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে যে আমাদের জনবল সম্পদ কম আছে এবং এটা আমরা প্রতিনিয়ত সবসময় পারবো না। এটা যদি মানুষ সচেতন না হয়, যদি লোকাল কমিউনিটি আমাদেরকে হেল্প না করে তাহলে শুধু একাই এই কাজটা আমাদের পক্ষে করা সম্ভব না। তবে আমরা এটা ধরে রাখার চেষ্টা করবো। এখানে সবাই ব্যবসায়ী। ব্যবসা কিন্তু একটা দেশের অর্থনীতির জন্য একেবারে অপরিহার্য। তবে আপনি ব্যবসা বাণিজ্য যা-ই করেন না কেন, মানুষের দুর্ভোগ বা হয়রানি সৃষ্টি আপনারা করতে পারেন না। এই অভিযান চলতেই থাকবে। অ্যাকশনেই নেমেছি। আমাদের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন এবং আমাদের সঙ্গে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটও আছেন। আমরা এই মালগুলো বাজেয়াপ্ত করেছি। ম্যাজিস্ট্রেটরা আইনগতভাবে যেটা হয় তারা ডিসপোজাল করবেন। তারা থানায় যাবেন। এই মালগুলোর ব্যাপারে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে বেলা ১১টায় ফুটপাত উদ্ধারে মহানগরীর ধোলাইখাল এলাকায় সড়কের পাশে বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান বা দোকানের অংশ অপসারণে অভিযান শুরু করেছে ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিএমপির স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান। ধোলাইখাল এলাকায় বিভিন্ন মোটর গ্যারেজের সামনে ত্রিপল টানিয়ে রাখা হয়। ফুটপাত দখল করে রাখা হয় বিভিন্ন সামগ্রী। ফুটপাতের উপরেও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ঝুলিয়ে রাখা হয়। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি টের পেয়ে তড়িঘড়ি করে এসব খুলে রাখার চেষ্টা করেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা। ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান সেসব সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন এবং দ্রুত ফুটপাত পরিষ্কার করতে বলেন। এছাড়া একটি গাড়ি রাস্তায় রেখে ঠিক করার অপরাধে সেই গাড়িটিকে ডাম্পিং করার নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত জিনিসপত্র জব্দ করার নির্দেশও দেন তিনি।

এস/এ